আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি মানুষ নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং আনন্দময় গেমিং অভিজ্ঞতা পাওয়ার যোগ্য। 999 Joya সেই বিশ্বাস থেকেই জন্ম নিয়েছে।
999 Joya হলো বাংলাদেশের একটি পরিচিত ও বিশ্বস্ত অনলাইন গেমিং এবং বেটিং প্ল্যাটফর্ম। আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল একটি সহজ লক্ষ্য নিয়ে — বাংলাদেশের মানুষদের জন্য এমন একটি জায়গা তৈরি করা যেখানে তারা নিরাপদে, স্বচ্ছভাবে এবং আনন্দের সাথে অনলাইন গেম খেলতে পারবেন।
আমরা জানি বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। তাই 999 Joya-র পুরো প্ল্যাটফর্ম মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইনে তৈরি। ছোট স্ক্রিনেও সব কিছু পরিষ্কার দেখা যায়, নেভিগেশন সহজ এবং গেম লোড হয় দ্রুত।
আমাদের টিমে আছেন অভিজ্ঞ গেমিং বিশেষজ্ঞ, প্রযুক্তিবিদ এবং গ্রাহক সেবা প্রতিনিধি যারা প্রতিদিন কাজ করেন শুধু একটাই উদ্দেশ্যে — আপনার অভিজ্ঞতাকে আরও ভালো করা। 999 Joya শুধু একটি গেমিং সাইট নয়, এটি একটি কমিউনিটি যেখানে লাখো বাংলাদেশি প্রতিদিন একত্রিত হন।
আমাদের প্ল্যাটফর্মের বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলো যা আমাদের আলাদা করে তোলে।
999 Joya আন্তর্জাতিক গেমিং লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও আর্থিক লেনদেন সর্বোচ্চ এনক্রিপশন প্রযুক্তি দিয়ে সুরক্ষিত। আমরা কখনো তৃতীয় পক্ষের সাথে আপনার তথ্য শেয়ার করি না।
বাংলাদেশের বাস্তবতা বুঝে আমরা পুরো প্ল্যাটফর্ম মোবাইলের জন্য তৈরি করেছি। Android ও iOS উভয় ডিভাইসে অসাধারণ পারফরম্যান্স। 4G কানেকশনেও কোনো ল্যাগ ছাড়াই খেলা যায়।
bKash, Nagad এবং Rocket-এর মাধ্যমে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে ডিপোজিট করুন। উইথড্রয়াল সাধারণত ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে প্রক্রিয়া হয়। ন্যূনতম ডিপোজিট মাত্র ৳ ১০০।
ফিশিং গেম থেক ে শুরু করে লাইভ ক্যাসিনো, স্লট, কার্ড গেম — 999 Joya-তে ৫০টিরও বেশি গেম আছে। প্রতি মাসে নতুন গেম যোগ হয়। সব বয়সের ও রুচির খেলোয়াড়দের জন্য কিছু না কিছু আছেই।
নতুন সদস্যদের জন্য ১০০% ওয়েলকাম বোনাস, প্রতিদিনের ক্যাশব্যাক, রেফারেল বোনাস এবং ভিআইপি পুরস্কার — 999 Joya-তে বোনাসের কোনো অভাব নেই। নিয়মিত খেলোয়াড়রা প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা বোনাস পান।
আমাদের গ্রাহক সেবা দল সপ্তাহের সাত দিন, চব্বিশ ঘণ্টা আপনার পাশে আছে। বাংলায় কথা বলুন, সমস্যা জানান — আমরা দ্রুত সমাধান দেব। লাইভ চ্যাট, ইমেইল বা ফোনে যোগাযোগ করুন।
999 Joya শুধু একটি ব্যবসা নয় — এটি একটি দায়িত্বশীল প্রতিশ্রুতি।
আমাদের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষের কাছে বিশ্বমানের গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে রাজশাহী — সব জায়গার মানুষ যেন সমান সুবিধা পান।
আমরা বিশ্বাস করি স্বচ্ছতা সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই 999 Joya-র প্রতিটি গেমের ফলাফল সম্পূর্ণ র্যান্ডম নম্বর জেনারেটর (RNG) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং তৃতীয় পক্ষ দ্বারা যাচাইকৃত।
আমরা চাই প্রতিটি খেলোয়াড় যখন 999 Joya ছেড়ে যান, তখন যেন তিনি একটি ভালো অভিজ্ঞতার কথা মনে রাখেন — শুধু জয়ের জন্য নয়, আনন্দের জন্যও।
প্রতিটি গেমের নিয়ম, পেআউট রেট এবং শর্তাবলী সম্পূর্ণ স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হয়। কোনো লুকানো চার্জ নেই।
SSL এনক্রিপশন, দ্বি-স্তরীয় যাচাইকরণ এবং অ্যান্টি-ফ্রড সিস্টেম দিয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত।
RNG প্রযুক্তি নিশ্চিত করে যে প্রতিটি গেমের ফলাফল সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। কেউ কোনো অন্যায় সুবিধা পায় না।
আমরা দায়িত্বশীল গেমিং-এ বিশ্বাস করি। ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন সহ একাধিক সুরক্ষা ব্যবস্থা আছে।
999 Joya কিভাবে আজকের অবস্থানে এসেছে — সেই গল্প।
একটি ছোট দল নিয়ে 999 Joya-র প্রথম ভার্সন লঞ্চ হয়। মাত্র ৫টি গেম এবং কয়েক হাজার সদস্য নিয়ে শুরু।
বাংলাদেশের মোবাইল ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে 999 Joya অ্যাপ লঞ্চ হয়। প্রথম মাসেই ৫০,০০০ ডাউনলোড।
Playtech-এর সাথে অংশীদারিত্বে লাইভ ক্যাসিনো গেম যোগ হয়। সদস্য সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যায়।
মোবাইল ব্যাংকিং সংযুক্ত হওয়ায় পেমেন্ট আরও সহজ হয়। দৈনিক লেনদেন ১০ গুণ বেড়ে যায়।
999 Joya বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলোর একটিতে পরিণত হয়।
রয়েল ফিশিং, কলব্রেক সহ নতুন গেম এবং বিশেষ ভিআইপি লয়্যালটি প্রোগ্রাম চালু হয়।
999 Joya-র পেছনে আছেন একদল নিবেদিতপ্রাণ পেশাদার।
১০ বছরের গেমিং ইন্ডাস্ট্রি অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল বিনোদন খাতের অগ্রদূত।
সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ। প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা ও পারফরম্যান্স নিশ্চিত করেন।
ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নয়নে বিশেষজ্ঞ। মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইনের মূল কারিগর।
৫০ জনের গ্রাহক সেবা দলকে নেতৃত্ব দেন। ২৪/৭ সেবা নিশ্চিত করেন।
আন্তর্জাতিক গেমিং আইন ও লাইসেন্সিং বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। নিয়মকানুন মেনে চলা নিশ্চিত করেন।
ডিজিটাল মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ। 999 Joya-কে বাংলাদেশের ঘরে ঘরে পরিচিত করেছেন।
999 Joya-র গল্প শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালে, যখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং সবে জনপ্রিয় হতে শুরু করেছিল। সেই সময় বেশিরভাগ অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম ছিল বিদেশি এবং বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি নয়। পেমেন্ট পদ্ধতি জটিল, ইন্টারফেস ইংরেজিতে এবং গ্রাহক সেবা বাংলায় পাওয়া যেত না।
এই সমস্যাগুলো সমাধান করতেই 999 Joya জন্ম নিয়েছে। আমরা শুরু থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে আমাদের প্ল্যাটফর্ম হবে সম্পূর্ণ বাংলাদেশ-কেন্দ্রিক। বাংলা ভাষায় ইন্টারফেস, বাংলাদেশি পেমেন্ট পদ্ধতি এবং বাংলায় গ্রাহক সেবা — এই তিনটি বিষয় আমাদের প্রথম দিন থেকেই অগ্রাধিকার।
999 Joya-তে বর্তমানে ৫০টিরও বেশি গেম আছে। ফিশিং গেমের মধ্যে কিং অফ ফিশিং এবং রয়েল ফিশিং সবচেয়ে জনপ্রিয়। এছাড়া মাল্টি বেট, ডার্টস, বোট অফ ফরচুন, প্লেটেক লাইভ এবং কলব্রেক — প্রতিটি গেম বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের রুচি ও পছন্দ অনুযায়ী বাছাই করা হয়েছে।
আমাদের প্রযুক্তি দলটি প্রতিনিয়ত কাজ করছে প্ল্যাটফর্মকে আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য করতে। আমরা AWS ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ব্যবহার করি যা ৯৯.৯% আপটাইম নিশ্চিত করে। মানে আপনি যখনই খেলতে চাইবেন, 999 Joya সবসময় প্রস্তুত থাকবে।
নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা কোনো আপোষ করি না। প্রতিটি লেনদেন ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন দিয়ে সুরক্ষিত। অ্যাকাউন্টে দ্বি-স্তরীয় যাচাইকরণ (2FA) চালু করার সুবিধা আছে। আমাদের অ্যান্টি-ফ্রড সিস্টেম ২৪ ঘণ্টা সন্দেহজনক কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করে।
দায়িত্বশীল গেমিং আমাদের কাছে শুধু একটি স্লোগান নয়, এটি আমাদের ব্যবসার মূল নীতি। আমরা চাই আমাদের খেলোয়াড়রা গেমিংকে বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে দেখুন, আসক্তি হিসেবে নয়। তাই 999 Joya-তে ডিপোজিট লিমিট সেট করার সুবিধা আছে, সেলফ-এক্সক্লুশন অপশন আছে এবং প্রয়োজনে পেশাদার সহায়তার তথ্য দেওয়া হয়।
আমাদের ভিআইপি প্রোগ্রাম নিয়মিত খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। ব্রোঞ্জ থেকে শুরু করে ডায়মন্ড পর্যন্ত পাঁচটি স্তর আছে। প্রতিটি স্তরে আলাদা সুবিধা — বেশি ক্যাশব্যাক, দ্রুত উইথড্রয়াল, ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার এবং এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ।
999 Joya-র ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বলতে গেলে — আমরা আরও বেশি গেম যোগ করার পরিকল্পনা করছি, বিশেষত বাংলাদেশি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রাণিত গেম। এছাড়া ই-স্পোর্টস বেটিং এবং ভার্চুয়াল স্পোর্টস বিভাগ শীঘ্রই চালু হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো ২০২৬ সালের মধ্যে ১০ লাখ সক্রিয় সদস্যের মাইলফলক অর্জন করা।
সবশেষে বলতে চাই — 999 Joya শুধু একটি গেমিং প্ল্যাটফর্ম নয়। এটি বাংলাদেশের লাখো মানুষের বিনোদন ও আনন্দের একটি বিশ্বস্ত সঙ্গী। আমরা প্রতিদিন চেষ্টা করি আপনার অভিজ্ঞতাকে আরও ভালো করতে। আপনার বিশ্বাস ও ভালোবাসাই আমাদের সবচেয়ে বড় পুরস্কার।
999 Joya আন্তর্জাতিক গেমিং কর্তৃপক্ষের লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং নিয়মিত তৃতীয় পক্ষের অডিটের মাধ্যমে যাচাইকৃত।
২০২৩ সালে "বাংলাদেশের সেরা অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম" পুরস্কার অর্জন করেছে 999 Joya।
999 Joya অ্যাপ Android ও iOS উভয় প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যায়। ডাউনলোড করুন এবং যেকোনো জায়গা থেকে খেলুন।
যেকোনো প্রশ্ন বা সমস্যায় আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: [email protected]
সংখ্যায় 999 Joya-র সাফল্যের গল্প।
আমাদের সদস্যরা কী বলছেন।
999 Joya-তে আসার পর থেকে অন্য কোথাও যাওয়ার কথা মাথায় আসে না। bKash-এ ডিপোজিট করি, ১৫ মিনিটে টাকা তুলি — এত সহজ আর কোথাও পাইনি।
রয়েল ফিশিং খেলতে খেলতে একদিন ড্রাগন বস ধরলাম — ৳ ৪৫,০০০ জিতলাম! 999 Joya সত্যিই বিশ্বস্ত, টাকা পেতে কোনো ঝামেলা হয়নি।
গ্রাহক সেবা দল সত্যিই অসাধারণ। রাত ২টায় সমস্যা হয়েছিল, ১০ মিনিটের মধ্যে সমাধান পেয়েছি। বাংলায় কথা বলতে পারাটা অনেক সুবিধাজনক।
৫ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি ইতিমধ্যে 999 Joya-তে আছেন। আপনিও যোগ দিন, ওয়েলকাম বোনাস নিন এবং আনন্দময় গেমিং অভিজ্ঞতা উপভোগ করুন।